Home কবিতা Archive by category পদ্যকবিতা

পদ্যকবিতা

কবিতা পদ্যকবিতা

রুদ্র অয়নের কবিতা- হৃদয়ের ছোঁয়া

রুদ্র অয়নের কবিতা হৃদয়ের ছোঁয়া সকাল দুপুর গোধূলি বা রাতে তোর প্রেমেই বিভোর হয়ে থাকি, দিনে কি রাতে স্বপ্নে জাগরণে হৃদয় পটে তোরই ছবি আঁকি। মন ফ্রেমে করেছি বন্দি তোরে পালিয়ে তুই বল কোথায় যাবি? হৃদয় থেকে করলে অনুভব ঠিক আমার হৃদয়-ছোঁয়া পাবি।বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

আসাদ বিপুলের কবিতা- মনের বাসনা

মনের বাসনা আসাদ বিপুল মানুষ নামে জন্ম আমার সৃষ্টির সেরা জীব, জীবন নামের দেহ গাড়িটা চলে দিকবিদিক । ফুলে ফলে শস্য শ্যামলে ভরা এই ধরনীখানি, তুমিই বাঁচাও তুমিই মরাও প্রভু তোমার লীলা জানি । নদী-নালা-সাগর পাহাড়-পর্বত সৃষ্টির অপরুপ খেলা, হরেক রকম পশরায় সাজিয়েছো নিয়ামতের এক মেলা। খরা দিয়েছো সাইক্লোন দিয়েছো আরও দিয়েছো বন্যা, ছয় ঋতুর […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

জালাল আহমেদের কবিতা- সেহেরির সময়

সেহরির সময় জালাল আহমেদ সেহরি খেতে উঠলে মা’গো আমায় ডেকো এসে মহান মাসে থাকবো রোজা খোদার প্রেমে ভেসে। সময় মত সেহরি খেলে হৃদয়ে লাগে ভালো রোজা রাখলে সোয়াব মেলে ফোটে নুরের আলো। সেহরি খেয়ে রোজা থাকাটা ফরজ হলো ভবে তাইতো মাগো প্রতি রাতেই মোরে ডাকতে হবে। খোদার ভয়ে আমল করি গুনাহ চাই মাফ খোদা তোমার […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

জালাল আহমেদের কবিতা- সবার প্রিয় বঙ্গবন্ধু

সবার প্রিয় বঙ্গবন্ধু জালাল আহমেদ প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধুুর সাত-ই মার্চের ভাষণে তিনি রেসকোর্সের মাঠে দাঁড়িয়ে সে আসনে স্বাধীনতার ডাকতো দিলো মধুর কণ্ঠের সুরে লাখো লাখো মানুুষ এসে মাঠটা যায় যে পুরে। সত্যই কথা বলায় পাক সেনারা করে বন্দী তবুও বঙ্গবন্ধুু করেনি শত্রুর সাথে সন্ধি বঙ্গবন্ধুুর ডাকে লাখো মানুুষ যুদ্ধে লড়ে ত্রিশ লক্ষ শহীন জীবন দিয়ে […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

আসাদ বিপুলের কবিতা- চির অম্লান একুশ

চির অম্লান একুশ আসাদ বিপুল সোনালি সূর্যের আভায় নির্ভার হতে চাই আমি প্রস্ফুটিত মঞ্জুরি কাননে কাননে আমার বর্ণমালায়, পাখির কলতানে পল্লবীর পাতায় পাতায় গোলাপ গুচ্ছের শুভ্র সুঘ্রাণ হৃদয়ে শিহরণ জাগায় অগোচরে । ভাষার সংগ্রামী চেতনার ঊষালগ্নে উদ্বেলিত বাঙালি কণ্ঠরোধে জেল জুলুম হয়রানি পরিশেষে লোহার খাঁচায় বন্দি মুক্ত-বিহঙ্গের মতো নীল গগনে গাইতে ভাষার গান শব্দ বর্ণের […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

জালাল আহমেদের কবিতা- মায়ের আদর

মায়ের আদর জালাল আহমেদ মা আমাকে জন্ম দিলেন অনেক আদর করে কখনো কষ্ট আমাকে দেননি রাখছেন বুকে ধরে। মা আমার মা, মায়ের নেই তো তুলনা মা আমাকে ঘুম পাড়াতেন দোলনা ঠেলে ঠেলে একটু কান্না করলে সন্তান কোলে নিতেন তুলে মায়ের আদর সোহাগ পেয়ে কান্না যেতো ভুলে। মায়ের আদর আমার কাছে, শান্তি সুখের মূল মায়ের আদর […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

মোঃ ইব্রাহীম খলিলের কবিতা- বুঝা দায় নারী মন

বুঝা দায় নারী মন মোঃ ইব্রাহীম খলিল দূরে তবু কাছে হৃদয়ের মাঝে বন্ধুর বসবাস, সদা হাসিখুশি বলে রাশিরাশি অন্তরে প্রেম চাষ। অভিমানী নয় করে শুধু ভয় নগ্নতাকেই বেশ, রূপে নন্দিনী গৃহ বন্দিনী ক্লান্তির নেই শেষ। হয়ে প্রেম ঋণী আমি তারে চিনি শান্তশিষ্ট মন, কাটে মধুরাত হবে বাজিমাত করেছে বন্ধু পণ। সুখী পরিবার চলে অভিচার বন্ধুর […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

ডাঃ শামস রহমানের কবিতা- কবিতার কৈবল্য

কবিতার কৈবল্য ডাঃ শামস রহমান যে তরুতল দেয় ছায়া সুনিবিড়,পথিক রবে তার সন্ধানে ক্লান্তি যত মুছে দেবে যতনে, গাঁথে মালা বন্ধনে জীবনের দৈন্যতা ঘুচাবে সে তো,মিটে যাবে যত আশা সুন্দরের পূজারী তাকে বলি,সে তো বিলাবে ভালোবাসা এ ভুবন হবে আলোকিত, ঘুচে যাক তমসার প্রহর যত জীবনের গান শুনাবে সে আজ,নয়ন মেলে রবে শত শত। বিকেলে […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

মোঃ ইব্রাহীম খলিলের কবিতা- উদ্ভট ক্রীড়া

উদ্ভট ক্রীড়া মোঃ ইব্রাহীম খলিল রোজ প্রভাতে সুবর্ণ মেঘ সিঁদুর মেখে গায় পূব আকাশে সূর্যিমামা নিত্য আসে যায়। শান্ত আকাশ শান্ত বায়ু নির্মল পরিবেশ খানিকবাদে বদলে দেখি সূর্যিমামার বেশ। তেজদীপ্ত রূপখানি তার নিত্য দেখতে পাই কালপ্রবাহে আঁধার নামে হচ্ছে আড়াল তাই। রাতের কালি দিচ্ছে মুছে রঙিন আলো রূপ আঁধার গুছে আলো ফোটে দৃশ্যপটে চুপ। ফেরি […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

নাজমুল রায়হান ভূঁইয়ার কবিতা- মা আমার স্বর্গ

মা আমার স্বর্গ  নাজমুল রায়হান ভূঁইয়া পৃথিবীতে সবচে দামি আমার মায়ের মুখ, দেখলে হাসি মায়ের মুখটা কি যে লাগে সুখ। মায়ের প্রিয় মুখ।। মা যে হলো মুক্তা মানিক হীরা পান্না, মায়ের দুখে বুক ফেটে যে আসে কান্না। ও বিধাতা দিও মাকে একটুখানি সুখ। মায়ের প্রিয় মুখ।। খোদার পরে রাসুল জানি, তার পরে তো মা, মায়ের […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

এস এইচ তামীমের কবিতা- একটি পতাকার উদ্দেশ্য ছিলো

একটি পতাকার উদ্দেশ্য ছিলো এস এইচ তামীম একটি পতাকার উদ্দেশ্য ছিলো- ওপাড়ার বিধবা শেফালি শান্তিতে থেকে খাবে দু’টি ভাত, শান্তি তো আজ দূরের কথা অনাহারে কাটে তার দিনরাত? একটি পতাকার উদ্দেশ্য ছিলো- তনু মিয়া গাইবে সুখের গান বাড়িভরে আনবে কেটে সোনার ফসল ধান, কিন্তু কেন আজ তার চোখে জল স্বাধীনতা কীভাবে তোমাকে দেব সম্মান? একটি […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

অরুণাভ চক্রবর্তীর কবিতা- সুখ- দুঃখের চাকা

সুখ- দুঃখের চাকা অরুণাভ চক্রবর্তী সুখ- দুঃখ কান্না-হাসি, নানা সুরে বাজায় বাঁশি, কখনো সুরে হয় আনন্দ, কখনো বা সর্বনাশী। পরের দুঃখে শরিক হবো, এটাই আমার প্রার্থনা, পরের দুঃখ দেখলে পরে, দেবো তাঁকে শান্ত্বনা। দিবা রাত্রির মতোন, জীবনে আসে দুঃখ-সুখ, পূব দিকেতে সুখ ওঠে, পশ্চিমে দেয় দুঃখ ডুব। চক্রাকারে ঘুরছে ভাই, সুখ- দুঃখের চাকা, দুঃখেও সুখ […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

সাইফুর রহমানের কবিতা- আমার আমি

আমার আমি সাইফুর রহমান  প্রাণ তো সকল প্রাণীরই থাকে তাই বলে তো সবাই মানুষ নয়, মানুষের আছে কিছু গুণাগুণ যা অন্য প্রাণীকুলের নয়। উদ্ভিদেরও অাছে প্রাণ, বিজ্ঞানীরা তা করেছে প্রমাণ। মানবের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান তাদেরই অবদান, অক্সিজেন দিয়ে বাঁচায় মোদের প্রাণ। কীট-পতঙ্গ জীবন দেয় অন্য প্রাণীর তরে, খাদ্য হয়ে মরার আগে বেড়ায় উড়ে উড়ে। আজকাল কৃত্রিমতার যন্ত্রগুলোও […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

মাসুমা খাতুনের কবিতা- চিৎকার

চিৎকার ।। মাসুমা খাতুন চিৎকার করে কাঁদতে পারিনা বুকে জমাট ব্যথা ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই লজ্জায় নত করি মাথা জবাব কি দেবে পবিত্র স্হানও কলুষিত করে তবু, বাক্ রুদ্ধ নরাধম জাতি ছোট্ট শিশুও ধর্ষিতা হয়ে মরে তাকিয়ে থাকি ভয়ার্ত নয়নে দেখি পশুত্বর কালো দাঁত এদের বিচার কিভাবে হবে কবে জাগবে মানবতার হাত ধর্ষণ পশুত্বের সমান […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

সিএইচসিপি হালিমের কবিতা- আবার দেখা হবে

আবার দেখা হবে সিএইচসিপি- হালিম আবার দেখা হবে, পথে- প্রান্তরে কোলাহল, ব্যস্ততায় আর ভীরে। তেমার চলে যাওয়া প্রচন্ড দ্রুততায় আমাকে দেখে চোখ ফিরিয়ে ঘৃণায়। আবার দেখা হবে, নির্জনে, পার্কে অন্য কোথাও, কোন নূতন সম্পর্কে। তোমার মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে দৃষ্টি তখন শূণ্যতায় নামে বেদনার বৃষ্টি। আবার দেখা হবে, বাসে, ট্রেনে, গল্পে,একান্তে, কোন কারণে অকারণে। অথবা ব্যস্ততায় […]বিস্তারিত পড়ুন
কবিতা পদ্যকবিতা

নাজমুল রায়হান ভূঁইয়ার কবিতা- শতবৎসর বাঁচার স্বাদ

শতবৎসর বাঁচার স্বাদ  ♥ নাজমুল রায়হান ভূঁইয়া।  হঠাৎকরে ইচ্ছে হলো বাঁচতে বছর শত, তাইতো বসে করছি হিসাব বয়স হলো কতো? এইতো সেদিন কেঁদে ভবে মায়ের কোলে আসি, আমায় দেখে সবার মুখে ফুটলো সুখের হাসি। শিশুকালও হেসে খেলে হয়ে গেলো পার, কিশোর বেলায় দস্যিপনার দিনগুলো নাই আর। ফাগুন হাওয়ায় চঞ্চলা মন বাউলা সুখের দোল, হৃদ মাজারের […]বিস্তারিত পড়ুন